Author: মিরর ডেস্ক

একটি ছোট উদ্যোগ এখন বদলে দিচ্ছে গ্রামের বহু নারীর জীবন। শাহিন মিয়ার গড়ে তোলা এই কারখানায় বর্তমানে অর্ধশতাধিক নারী প্যান্ট, শার্ট ও পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক তৈরি করছেন। পাশাপাশি নতুনদের দক্ষ করে তুলতে কারখানার পাশের একটি কক্ষে পাঁচজন নারীকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শাহিন মিয়া জানান, তাঁর লক্ষ্য শুধু ব্যবসা বাড়ানো নয়—গ্রামের দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। তিনি বলেন, আর্থিক সহায়তা পেলে কারখানার পরিসর আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। এতে আরও অনেক মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে এবং তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। এই কারখানায় কাজ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন স্থানীয় ভগবানপুর গ্রামের শেফালী আক্তার (৩৭)। তিনি বলেন, দিনমজুর স্বামীর…

আরও পড়ুন

একসময় গার্মেন্টস কারখানার কাটিং টুকরো, পুরনো পোশাক কিংবা অব্যবহৃত ফ্যাব্রিক—সবই ছিল ‘বর্জ্য’। এগুলোর স্থান ছিল ডাস্টবিনে কিংবা ল্যান্ডফিলে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে দ্রুত। এখন সেই বর্জ্যই হয়ে উঠছে নতুন কাঁচামাল, আর তার ওপর দাঁড়াচ্ছে টেকসই ফ্যাশনের এক নতুন অর্থনীতি। বর্জ্য থেকে সম্পদ: ধারণার পরিবর্তন টেক্সটাইল বর্জ্যের সংজ্ঞা খুবই পরিচিত—কারখানার leftover কাপড়, ব্যবহৃত পোশাক, কিংবা অব্যবহৃত সুতা। এতদিন এগুলো পরিবেশের জন্য বোঝা ছিল। কিন্তু এখন এগুলোকে “waste” নয়, “resource” হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরিবর্তনই তৈরি করেছে Recycling ও Upcycling-এর মতো নতুন ধারা। কীভাবে তৈরি হচ্ছে নতুন ফ্যাশন টেক্সটাইল বর্জ্যকে কাজে লাগানোর দুটি প্রধান পদ্ধতি এখন শিল্পে গুরুত্ব পাচ্ছে। Recycling-এর…

আরও পড়ুন

বিশ্বজুড়ে ফ্যাশন শিল্পে নীরবে এক বড় পরিবর্তন ঘটছে। একসময় যেসব জিনিসকে আমরা ‘বর্জ্য’ হিসেবে ফেলে দিতাম—যেমন কমলার খোসা, আনারসের পাতা বা অন্যান্য ফলের অবশিষ্টাংশ—সেগুলোই এখন পরিণত হচ্ছে আধুনিক পোশাকের কাঁচামালে। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোও এই প্রবণতার দিকে ঝুঁকছে, ফলে বর্জ্য থেকেই তৈরি হচ্ছে নতুন ‘লাক্সারি’ ফ্যাশন। আগে কাপড় তৈরিতে প্রধানত প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহার করা হতো, যেমন তুলা, পাট বা সিল্ক। কিন্তু এখন প্রযুক্তির উন্নতির কারণে ফলের পাল্প, বাঁশ, কলাগাছ কিংবা অন্যান্য উদ্ভিদের নরম অংশ থেকেও তৈরি হচ্ছে উন্নতমানের ফ্যাব্রিক। ফলে প্রতিদিনের ব্যবহৃত খাবারের অংশও এখন আমাদের পোশাকে জায়গা করে নিচ্ছে। উদ্ভিদ থেকে কাপড়: নতুন সম্ভাবনার পথ প্রকৃতিতে কোনো কিছুই অপ্রয়োজনীয় নয়—এই ধারণাকেই…

আরও পড়ুন

শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিয়েছে এপেক্স হোল্ডিংস লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সাথে শ্রমিক প্রতিনিধিদের আলোচনার প্রেক্ষিতে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী কোনো শ্রমিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না এবং কাউকে ছাঁটাই করা হবে না। এছাড়া রমজান মাসে ১০ ঘণ্টার বেশি কাজ করানো হবে না এবং টিফিন ও ইফতারের মানোন্নয়ন করা হবে। প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নেওয়া অন্যান্য সিদ্ধান্তগুলো হলো

আরও পড়ুন

এপেক্স হোল্ডিংস লিমিটেডের আওতাধীন সব কারখানার শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে যে, আগামী সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) থেকে কারখানার সব বিভাগ ও শাখা যথারীতি খোলা থাকবে। সবাইকে তাদের নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী কাজে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।আজ ১২ এপ্রিল (রবিবার) কারখানা বন্ধের দিনটিকে সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে মেনে নিয়ে তা নোটিশ আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। তাই কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, চলমান পরিস্থিতির কারণে বায়ারদের (ক্রেতা)…

আরও পড়ুন

বাংলা নতুন বছর মানেই পহেলা বৈশাখ—বাঙালির প্রাণের উৎসব। এই দিনে শুধু আনন্দ আর উদযাপনই নয়, সাজ-পোশাকেও থাকে আলাদা এক মাত্রা। বৈশাখের পোশাক যেন আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর রুচির এক সুন্দর প্রকাশ। পহেলা বৈশাখের পোশাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় লাল-সাদা রং। মেয়েদের জন্য সাদা শাড়ি লাল পাড় যেন এক চিরচেনা ছবি। এর সঙ্গে থাকে লাল ব্লাউজ, খোঁপায় গাঁদা বা রজনীগন্ধা ফুল, হাতে লাল চুড়ি—সব মিলিয়ে এক অপূর্ব সৌন্দর্য। অনেকেই এখন শাড়ির পাশাপাশি সালোয়ার-কামিজ বা ফিউশন ড্রেসও বেছে নিচ্ছেন, যেখানে ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার ছোঁয়া স্পষ্ট। ছেলেদের পোশাকেও থাকে সরলতা আর ঐতিহ্যের মিশেল। সাদা বা হালকা রঙের পাঞ্জাবি, সঙ্গে পায়জামা বা জিন্স—এটাই সবচেয়ে…

আরও পড়ুন

দেশের অন্যতম শিল্পপ্রতিষ্ঠান এপেক্স হোল্ডিংস লিমিটেড তাদের চারটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উৎপাদন কার্যক্রমে অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড, এপেক্স ল্যানজারি লিমিটেড, এপেক্স টেক্সটাইল প্রিন্টিং মিলস লিমিটেড এবং এপেক্স ইয়ার্ন ডাইং লিমিটেডের সকল শ্রমিক-কর্মচারীর উপস্থিতি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আগামী ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব কারখানার সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে গ্রীষ্ম মানেই তীব্র তাপদাহ, আর্দ্রতা আর অস্বস্তিকর আবহাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে পোশাকের ফ্যাব্রিক নির্বাচন শুধু ফ্যাশনের বিষয় নয়, বরং স্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িত। সাম্প্রতিক সময়ে বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রেতাদের মতামত থেকে দেখা যাচ্ছে, দেশের মানুষ এখন ধীরে ধীরে সিনথেটিক কাপড় থেকে সরে এসে প্রাকৃতিক ও আরামদায়ক ফ্যাব্রিকের দিকে ঝুঁকছেন। গবেষণায় উঠে এসেছে, বর্তমানে বাংলাদেশের পোশাক বাজারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তিনটি বিষয়—বাতাস চলাচল, ঘাম শোষণ, এবং হালকা গঠন। সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্যাব্রিক হিসেবে কটন এখনো শীর্ষে রয়েছে। কটন ফাইবারের গঠন এমন যে এটি সহজেই বাতাস চলাচল করতে দেয় এবং শরীরের ঘাম দ্রুত শোষণ করে নেয়। ফলে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলেও শরীর তুলনামূলক…

আরও পড়ুন

তৈরি পোশাক শিল্পে প্রতিযোগিতা এখন কেবল পণ্যের গুণগত মানে সীমাবদ্ধ নেই; সময় ব্যবস্থাপনাও হয়ে উঠেছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি উৎপাদন লাইনে পুরনো স্টাইল শেষ করে নতুন স্টাইল চালু করতে যে সময় লাগে—যা ‘স্টাইল চেঞ্জ ওভার টাইম’ নামে পরিচিত—তা কমিয়ে আনতে এখন গুরুত্ব পাচ্ছে SMED (Single Minute Exchange of Dies) পদ্ধতি। শিল্প সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, স্টাইল চেঞ্জ ওভার টাইম যত কম, উৎপাদন তত বেশি। কারণ এই সময়টাতেই মেশিন বন্ধ থাকে, শ্রমিকদের কার্যক্রম থেমে যায় এবং উৎপাদনে সৃষ্টি হয় অদৃশ্য ক্ষতি। এই সময়কে এক অংকের মিনিটে নামিয়ে আনাই SMED পদ্ধতির মূল লক্ষ্য। কী এই SMED SMED একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ম্যানুফ্যাকচারিং কৌশল, যার উদ্দেশ্য যেকোনো…

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ পুলিশ আবারও তাদের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত এক সপ্তাহে দুই দফা সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক করে পুলিশ প্রশাসন নতুন পাঁচ ধরনের রঙের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। এখন সরকারের পক্ষ থেকে একটি রঙ চূড়ান্ত করার অপেক্ষা চলছে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউনিফর্ম বারবার পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, কারণ এতে বড় অঙ্কের ব্যয় জড়িত। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পুলিশের নতুন পোশাক তৈরিতে কাপড় সরবরাহে প্রায় ৭৬ কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছিল দুটি প্রতিষ্ঠানকে। নতুন পোশাক নিয়ে মাঠপর্যায়ের অনেক পুলিশ সদস্যের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্ধারিত রঙটি আকর্ষণীয় নয়…

আরও পড়ুন