চীনা প্রযুক্তি, জ্ঞান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) কাজে লাগিয়ে দেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ‘ম্যানমেড ফাইবার’ ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে পোশাক খাতের বিদ্যমান রপ্তানি আয় দ্বিগুণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রাজধানীতে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন কনফারেন্স’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, দুটি দেশের কারিগরি অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে যৌথভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাত দ্রুত এগিয়ে যাবে।
বর্তমানের ৩৮ থেকে ৩৯ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় বাড়িয়ে অন্তত দ্বিগুণ করার পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। এজন্য কৃত্রিম তন্তু ও বাড়তি মূল্যের (হাই ভ্যালু এডিশন) পণ্য উৎপাদনের দিকে নজর দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।উৎপাদনের ক্ষেত্রে জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির এই সমস্যাটি পোশাক খাতের চেয়ে মূল টেক্সটাইল শিল্পের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের জন্য কাজ করছে।পাট খাতের উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি আরও জানান, চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে পাটজাত পণ্যের বহুমুখী উৎপাদন বাড়ানো গেলে বাজারে পাটের ভালো দাম নিশ্চিত হবে। এর ফলে প্রান্তিক চাষিরাও পাট চাষে নতুন করে উৎসাহ পাবেন।

