Author: মিরর নিউজ

বৈশ্বিক মূল্যচাপ, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কঠোর কমপ্লায়েন্স সামলে যখন দেশের তৈরি পোশাক শিল্প ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই তীব্র গ্যাস সংকট খাতটিকে নতুন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। কারখানা মালিকদের আশঙ্কা, দ্রুত এই সংকটের সমাধান না হলে সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থতার কারণে বহু বছরের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক বাজারের একটি বড় অংশ প্রতিযোগী দেশগুলোর হাতে চলে যেতে পারে। উৎপাদনে ধস ও অঞ্চলভিত্তিক প্রভাবগ্যাসের চাপের মারাত্মক স্বল্পতায় দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাক উৎপাদন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে, কোনো কোনো কারখানায় যা ৬০ শতাংশ ছুঁয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজীপুর, সাভার, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের শিল্পকারখানাগুলো।…

আরও পড়ুন

টানা তিন দিনের সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি ঘিরে শিল্পনগরী গাজীপুর ছাড়তে শুরু করেছেন লাখ লাখ কর্মজীবী মানুষ। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকেই উত্তর ও পূর্বাঞ্চলগামী মহাসড়কগুলোতে ঘরমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তবে প্রিয়জনদের কাছে ফেরার এই আনন্দের মাঝেও বাড়তি ভাড়া আদায় এবং যানজটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের যাত্রীরা। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিশেষ দুই দিনের ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক বন্ধ যুক্ত হওয়ায় একটানা তিন দিনের ছুটি পেয়েছেন সব শিল্প-কারখানার শ্রমিক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মজীবীরা। ফলে পরিবারের সাথে ছুটি কাটাতে ভোর থেকেই দূরপাল্লার বাস ও মহাসড়কমুখী মানুষের ঢল নামে। সরেজমিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা…

আরও পড়ুন

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে ভুগতে থাকা চট্টগ্রামবাসীর জন্য সুখবর দিয়েছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)। আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যার পর থেকেই মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তিনি জানান, আজ সন্ধ্যা থেকে মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল থেকে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। এর ফলে চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বুধবার সকালে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেজিডিসিএল প্রধান…

আরও পড়ুন

দেশের তৈরি পোশাক খাতে চলমান তীব্র গ্যাসসংকটের কারণে কারখানাগুলোতে পণ্য উৎপাদন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে। অনাকাঙ্ক্ষিত এই মন্দায় নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বড় পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বাংলাদেশে আসা রপ্তানি আদেশ অন্য দেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিজিএমইএ সভাপতি জানান, সরকার আশ্বাস দিয়েছে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে, যেন উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেন। তবে দুই বছরের ওপর সম্পূর্ণ ভরসা না করে সংগঠনটি প্রতি মাসেই গ্যাস পরিস্থিতির উন্নয়ন ও এর…

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ (রুফটপ সোলার) ব্যবহারের পরিধি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। দিনের বেলা বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই প্রযুক্তি এখন বড় ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ‘ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস’ (আইইইএফএ)-এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সরকারি তথ্যের চেয়ে উৎপাদন অনেক বেশিপ্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি তথ্যে দেশে ছাদে বসানো সৌরবিদ্যুতের সক্ষমতা ৪১৮ মেগাওয়াট উল্লেখ করা হলেও বাস্তব চিত্র আরও বড়। আইইইএফএ-এর হিসাব অনুযায়ী, কেবল দেশের বড় ২৩৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই ৬৬৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি স্থাপনাগুলো যুক্ত করলে এই সক্ষমতা ১ হাজার মেগাওয়াট বা ১ গিগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। তেল আমদানিতে…

আরও পড়ুন

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সদ্য বিদায়ী জুলাই মাসে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ১.৯২ শতাংশ কমেছে। তবে এই পতনকে ‘নেতিবাচক’ হিসেবে দেখতে নারাজ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ। সংগঠনটির মতে, গত বছরের জুলাইয়ে অস্বাভাবিক বা রেকর্ড পরিমাণ রপ্তানি হয়েছিল। সেই উচ্চ ভিত্তির (বেস) সাথে তুলনা করলে বর্তমান অর্জনকে কোনোভাবেই খারাপ বলা যায় না। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানায়, সবশেষ জুলাই মাসে বাংলাদেশ ৩.৮৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। যেখানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে রপ্তানি হয়েছিল রেকর্ড ৩.৯৬ বিলিয়ন ডলারের পোশাক—যা ছিল তখনকার হিসেবে ২৪.৬৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।সংগঠনটি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারকে কেন্দ্র করে গত বছর এই অস্বাভাবিক রপ্তানি হয়েছিল।…

আরও পড়ুন

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম হলেও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একে ইতিবাচকভাবেই দেখছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের বরাতে এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, গত বছরের একই সময়ে রেকর্ড পরিমাণ রপ্তানি হওয়ায় উচ্চ ভিত্তির (হাই বেস) কারণে চলতি বছর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। উচ্চ ভিত্তির কারণে প্রবৃদ্ধিতে চাপ বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তৈরি পোশাক খাত ২৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জন…

আরও পড়ুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট চরম উত্তাল পরিস্থিতিতে দেশের সব তৈরি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের সব কারখানা মালিককে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছিল। সংগঠনের তৎকালীন সভাপতি এস এম মান্নান কচি স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পোশাক খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সে কারণেই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশের সব পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। মূলত, তৎকালীন আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা বৃদ্ধি এবং দেশের অন্যতম প্রধান এই রপ্তানিমুখী…

আরও পড়ুন

উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে নতুন অর্থবছর শুরু করলেও প্রথম মাসেই হোঁচট খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪.৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ০.৯০ শতাংশ কম। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪.৭৭ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা যায়, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সংকট ও বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তার প্রভাবেই অর্থ বছরের শুরুতে এই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি তৈরি হয়েছে। ## তৈরি পোশাক খাতেও নেতিবাচক ধারা দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতেও জুলাই মাসে প্রবৃদ্ধি কমেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে তৈরি পোশাক…

আরও পড়ুন

নব্বইয়ের দশকে দেশের পোশাক ও স্পিনিং খাতে দাপট দেখানো সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেড এখন তীব্র অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। পুঞ্জীভূত লোকসান, ঋণের চাপ এবং বিদ্যুৎ খরচের বৃদ্ধিতে কোম্পানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তবে ভোলা থেকে গ্যাস সংযোগ পাওয়া গেলে আবারও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা। ১৯৮৫ সালে বরিশাল অঞ্চলে খান সন্স গ্রুপের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় সোনারগাঁও টেক্সটাইলস। তৎকালীন বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের অর্থায়নে ১৯৯২ সালে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে তারা। এর পর ১৯৯৫ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং ১৯৯৬ সালে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত হয় কোম্পানিটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ব্যবসায়িক সাফল্য ছিল চোখে…

আরও পড়ুন