মিরপুর ১০ নম্বরের সেকশনের ফকির বাড়ি এলাকায় গড়ে ওঠা ছোট ছোট পোষাক কারখানাগুলো স্থানীয়ভাবে ‘বাংলা পোশাক’ কারখানা হিসেবে পরিচিত। স্বল্প আয়ের নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য তৈরি পোশাক বাজারজাতকারী এসব ক্ষুদ্র কারখানার বড় ক্রেতা মিরপুর এলাকার ফুটপাতের হকাররা। তবে সম্প্রতি ডিএনসিসির উদ্যোগে এলাকাটি থেকে হকার উচ্ছেদ করায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন কারখানা মালিকরা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, ফকির বাড়ি এলাকায় প্রায় ১৫টির মতো ক্ষুদ্র কারখানা রয়েছে। প্রতিটি কারখানায় কাজ করেন ১০ থেকে ২০ জন শ্রমিক। কারখানাগুলোর নিজস্ব পাইকারি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে, সেখান থেকে পোশাক কিনে হকাররা প্রধানত ফুটপাতে বিক্রি করে থাকেন।
জনদুর্ভোগ কমাতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। এর প্রভাব পড়ে পোশাক উৎপাদন খাতে। উচ্ছেদের ফলে হকারদের কেনাবেচা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে কারখানাগুলোর উৎপাদনও।
ক্ষতিগ্রস্ত রাফসান ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ রাসেল জানান, পণ্য বিক্রি না হওয়ায় শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ছুটি দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা ফুটপাত বিক্রেতাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা না করলে ছোট এসব কারখানা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।
অন্যদিকে রাফি ফ্যাশনের মালিক মোহাম্মদ সজীব জানান, উচ্ছেদ অভিযানের পর থেকে তাঁর বিক্রি অর্ধেকে নেমে এসেছে। তিনি বলেন, সড়ক দখল মুক্ত করার গুরুত্ব থাকলেও হকারদের জন্য বরাদ্দ ব্যবস্থা বা বিকল্প কাজের সুযোগ তৈরি করা জরুরি, যাতে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা থমকে না যায়। হানিফ ফ্যাশনের ব্যবস্থাপক জামাল হোসেনও একই ধরনের মন্দা পরিস্থিতির কথা জানান।
Trending
- হকার নেই, লোকসানে পোশাক মালিকেরা
- বুটেক্স-আইটিইটি ডাইকেম এক্সপোর উদ্বোধন করলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দ্বিতীয় স্থান হারাল বাংলাদেশ
- কারুশিল্প ও কুটির শিল্পের আধুনিকায়নে বিসিক ও বিইউএফটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড চলতি মাসেই: সিদ্ধান্ত সরকারের
- বিইউএফটিতে জাতীয় উদ্যোক্তা এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধন
- বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পোশাকের বাজার সম্প্রসারণের তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর
- এনবিআরের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবি পোশাক খাতের ৩ সংগঠনের


