বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আরোপিত অ্যান্টিডাম্পিং শুল্কের হার পুনর্বিন্যাস করেছে ভারত সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত নয় এমন বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের পাটের সুতা বা টুইন রপ্তানিতে প্রতি টনে সর্বোচ্চ ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত শুল্ক পরিশোধ করতে হবে।

ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগ গত বৃহস্পতিবার এক বিশেষ গেজেটের মাধ্যমে শুল্কের এই নতুন হার ঘোষণা করে। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেড রেমিডিজ অনুবিভাগ (ডিজিটিআর)-এর চালানো এক পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই হারে শুল্ক বসানো হয়নি। তালিকায় নির্দিষ্ট নাম নেই—এমন সাধারণ রপ্তানিকারকদের ক্ষেত্রে পাটের সুতা বা টুইনে টনপ্রতি ৪৪৫ ডলার, হেসিয়ান ফ্যাব্রিকসে ৮৮ ডলার এবং স্যাকিং ব্যাগে ২৮৩ ডলার পর্যন্ত অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক ধরা হয়েছে।

তবে ভারতে নিবন্ধিত নির্দিষ্ট কিছু বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ সুবিধা ও কম শুল্কের সুযোগ রাখা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, এ. এম. জুট ইন্ডাস্ট্রিজ ও বোনাঞ্জা জুট কম্পোজিটের মতো কিছু প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট পণ্যে শুল্কহার ‘শূন্য’ ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে হাসান জুট, জনতা জুট, সাদাত জুট ও আফিল জুটের মতো অন্যান্য তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের পণ্যের ওপর প্রতি টনে ৬৯ থেকে ১৫৫ ডলার পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

একই সময়ে নেপাল থেকে পাটজাত পণ্য আমদানির শুল্কহারও পুনর্নির্ধারণ করেছে ভারত, যা বাংলাদেশের তুলনায় কিছুটা কম। সেখানে অনথিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ওপর টনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৯২ ডলার শুল্ক নির্ধারণ করা হলেও কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শুল্ক পুরোপুরি মওকুফ করা হয়েছে।

About The Author


স্বত্ব © ২০২৬ টেক্সটাইল মিরর
Email: contact@textilemirrorbd.com