ঢাকার একটি অভিজাত ভেন্যুতে গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল ও ফ্যাশন সম্মেলন ২০২৬-এ বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (নিটার)-এর সম্মানীয় পরিচালক অধ্যাপক ড. আশেকুল আলম রানা।
চীনের প্রখ্যাত ঝেজিয়াং সাই-টেক ইউনিভার্সিটি (জেডএসটিইউ) এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্পোদ্যোক্তা ও টেক্সটাইল খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। এছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝেজিয়াং সাই-টেক ইউনিভার্সিটির ভাইস ডিন অধ্যাপক শু চিউঝি এবং চায়নিজ একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. ডং ওয়েনজু।আন্তর্জাতিক এ আয়োজনে টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিল্পের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশেষভাবে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, স্মার্ট টেক্সটাইল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল ম্যানুফ্যাকচারিং এবং টেকসই ফ্যাশন-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পায়।নিটার ও জেডএসটিইউ-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরসম্মেলন শেষে ঝেজিয়াং সাই-টেক ইউনিভার্সিটি (জেডএসটিইউ) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (নিটার)-এর মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।এই চুক্তি বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিক্ষা ও গবেষণাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নিটারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণার সুযোগ এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
নিটার-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আশেকুল আলম রানা-এর আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং ঝেজিয়াং সাই-টেক ইউনিভার্সিটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর নিটারের আন্তর্জাতিক একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

