নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ব্যাচ ৪১-এর বিদায় উপলক্ষে এক আবেগঘন ও স্মৃতিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাচ ৪১-এর শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জি. এম. ফয়সাল, কো-অর্ডিনেটর রাসেল হাওলাদার ও নাজমুল ইসলাম, শিক্ষক মোশাররফ হোসেন, নুসরাত জাহান ও মাজহারুল ইসলাম এবং বিভাগের সফল অ্যালামনাই মঈন খান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগীয় প্রধান জি. এম. ফয়সাল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, বিদায় একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি হলেও এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় নতুন পথচলা। অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কর্মজীবনে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের পাশাপাশি বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি।

এরপর কো-অর্ডিনেটর রাসেল হাওলাদার ও নাজমুল ইসলামসহ উপস্থিত শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তারা কর্মজীবনে সততা, পরিশ্রম, ধৈর্য ও পেশাগত দক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান। সফল অ্যালামনাই মঈন খানও নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নতুন কর্মজীবনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাচ ৪১-এর শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আলমাস, আরনব, মুইয়েদ, জয়া দাস ও ফয়সাল নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের স্মৃতি, বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো সময় এবং শিক্ষকদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন। বিদায়ের আবেগঘন মুহূর্তে তারা ভবিষ্যতে নিজেদের সাফল্যের মাধ্যমে বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও বৃদ্ধি করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কেক কাটা হয়। আনন্দ ও আবেগের মিশেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ব্যাচ ৪১-এর শিক্ষার্থীরা নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে নতুন স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করেন।

প্রতিবেদক : মোঃ এহসানুল আজম মুন, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

About The Author


স্বত্ব © ২০২৬ টেক্সটাইল মিরর
Email: contact@textilemirrorbd.com