জাপানের ২২ বিলিয়ন ডলারের পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বাড়াতে একটি বিশেষ ‘জাপান ডেস্ক’ চালু করেছে পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে নতুন এই ডেস্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য ইতিমধ্যে ১০০টি তৈরি পোশাক কারখানাকে নির্বাচিত করেছে সংগঠনটি।
বর্তমানে জাপানে বাংলাদেশ ১ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি পোশাক রপ্তানি করে। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটিতে রপ্তানির পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।
এছাড়া তেজিন ফ্রন্টিয়ার, মারুবেনি কর্পোরেশন, ইতোকু কর্পোরেশন ও টয়োটা সুশো কর্পোরেশনের মতো জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, বিশেষ করে যেসব জাপানি ক্রেতা তুলনামূলক ছোট ও ধারাবাহিক অর্ডার দিতে চান, তাদের চাহিদামতো দেশীয় কারখানার সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে দেবে এই ডেস্ক। এটি ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি ও দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সভাপতি তারেক রফি ভূঁইয়া জুন বলেন, কেবল বাজার সুবিধা নয়, বরং পণ্যের মান, সময়মতো সরবরাহ ও পারস্পরিক বিশ্বাসই জাপানের বাজার সম্প্রসারণের মূল চাবিকাঠি।
অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের এই সময়ে বাংলাদেশকে কৃত্রিম ও রাসায়নিক ফাইবারের মতো উচ্চমূল্যের পোশাক তৈরিতে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি, বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও টেকসই ব্যবস্থা গঠনে নতুন এশীয় জ্বালানি কাঠামোর আওতায় সরকারি পর্যায়ে সমন্বিত সহায়তার ইঙ্গিত দেন তিনি।


