নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এক বর্ণাঢ্য ফল উৎসবের আয়োজন করে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. (ইঞ্জি.) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মো. রাইহান-উল-মাসুদ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. মো. মিজানুর রহমান, এই এবং ডেভেলপমেন্ট বিভাগের পরিচালক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জাশিম উদ্দিন এবং ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সমন্বয়ক মো. শহিদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান জি. এম. ফয়সাল। তিনি অতিথিদের স্বাগত জানান এবং একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক ও সামাজিক উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।উৎসবে দেশীয় মৌসুমি ফলের বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় প্রদর্শনী সবার নজর কেড়ে নেয়। আম, কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন ফলের সাজানো প্রদর্শনী বাংলাদেশের সমৃদ্ধ কৃষি ঐতিহ্যকে তুলে ধরে এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা এ ধরনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সৃজনশীল ও অর্থবহ আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তারা বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সুস্থ কর্মপরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ এবং সুষ্ঠু আয়োজনে ফল উৎসবটি একটি স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়। ব্যস্ত একাডেমিক জীবনের মাঝে এই আয়োজনটি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য এক অনন্য মিলনমেলায় রূপ নেয়, যা পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ভবিষ্যতেও এ ধরনের সৃজনশীল ও অংশগ্রহণমূলক আয়োজনের মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। প্রতিবেদক : মোঃ এহছানুল আজম মুন নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।


