রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার জন্য সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমতি নেওয়ার নিয়ম বাতিল করেছে সরকার। আমদানি নীতি আদেশ (আইপিও) সংশোধন করে সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা।

এর আগে গত আগস্টে কার্যকর হওয়া নতুন আমদানি নীতি আদেশে সুতা ও কাপড় আমদানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুমতির শর্ত যুক্ত করা হয়। শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, এ নিয়মের কারণে ব্যবসা পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছিল এবং উৎপাদন খরচ বাড়ছিল।অনুমতিপত্র না থাকায় ইতিমধ্যে বন্দরে আসা কাঁচামালের একাধিক চালান খালাস করা সম্ভব হচ্ছিল না বলে জানান রপ্তানিকারকরা। প্রজ্ঞাপন জারির পর কাস্টমস কার্যক্রম দ্রুত শেষ হবে এবং বন্দরে জমে থাকা চালান সহজে খালাস করা যাবে বলে আশা করছেন তারা।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, নতুন আইপিও কার্যকর হওয়ার পর পোর্ট থেকে কাঁচামাল খালাস করতে ব্যবসায়ীরা চরম জটিলতায় পড়েছিলেন। এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সে জটিলতার সমাধান হবে বলে মনে করেন তিনি।

বর্তমানে দেশের নিটওয়্যার পোশাক খাতের প্রয়োজনীয় সুতা ও কাপড়ের প্রায় ৮০ শতাংশ জোগান দেয় দেশীয় টেক্সটাইল কারখানাগুলো। আর ওভেন খাতের চাহিদার প্রায় অর্ধেক স্থানীয় বাজার থেকে মেটানো হয়। তবে বিদেশি ক্রেতাদের বিশেষ কোনো নির্দেশনা থাকলে বা বৈশ্বিক বাজারে দামের সুবিধা পেতে মাঝে মাঝেই বিদেশ থেকে সুতা ও কাপড় আমদানি করতে হয় পোশাক উদ্যোক্তাদের।

About The Author


স্বত্ব © ২০২৬ টেক্সটাইল মিরর
Email: contact@textilemirrorbd.com