কুমিল্লা মহাসড়কে শ্রমিকদের অবরোধের কারণে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা সড়ক ছেড়ে দিলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রমিকরা জানুয়ারি মাসের বেতন পাবেন এবং আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস পরিশোধ করা হবে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, একটি পক্ষ শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
অবরোধের কারণে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হাড়িখোলা এলাকায় দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে ছিল। ঢাকা থেকে ফেনীগামী স্টার লাইন পরিবহনের বাসচালক ইমরান হোসেন বলেন, প্রায় আড়াই ঘণ্টা যানজটে আটকে ছিলেন তিনি। সকাল ১০টার দিকে শ্রমিকরা মহাসড়ক ছেড়ে গেলেও যানজট পুরোপুরি কাটতে আরও সময় লাগবে বলে তিনি জানান।
যানজটে পড়ে ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন যাত্রীরাও। চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, চিকিৎসকের কাছে যেতে তিনি কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু পথে যানজটে আটকে পড়ায় নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
একইভাবে একটি মামলায় হাজিরা দিতে কুমিল্লায় যাচ্ছিলেন দাউদকান্দির দিঘিরপাড় গ্রামের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন। তিনি জানান, যানজটের কারণে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়কে আটকে থাকতে হয়েছে তাকে।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন বেলা ১১টার দিকে জানান, শ্রমিকদের দ্রুত বেতন ও বোনাস পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অবরোধের সময় মহাসড়কের দুই দিকেই দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও কিছু জায়গায় ধীরগতি রয়েছে।

