বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের কাছ থেকে নতুন করে আরও পাঁচটি পোশাক কারখানা লিড (LEED) সনদ পেয়েছে। এর ফলে দেশে লিড সনদপ্রাপ্ত সবুজ কারখানার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮০টিতে।
তৈরি পোশাক খাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে পাঁচটি কারখানা লিড সনদ পাওয়ায় দেশের সবুজ কারখানার সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে দেশে মোট ২৮০টি লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১১৮টি প্লাটিনাম এবং ১৪৩টি গোল্ড রেটিং অর্জন করেছে। একইসঙ্গে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোরপ্রাপ্ত শীর্ষ ১০০টি লিড কারখানার তালিকায় বাংলাদেশের ৫২টি কারখানা স্থান করে নিয়েছে।
নতুন সনদপ্রাপ্ত কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে এপিক গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড (ইউনিট–৭), যা ৬৭ স্কোর পেয়ে লিড গোল্ড ক্যাটাগরিতে সনদ পেয়েছে। সুরমা গার্মেন্টস লিমিটেড ৭১ স্কোর অর্জন করে গোল্ড রেটিং পেয়েছে।
এছাড়া নাফা অ্যাপারেলস লিমিটেড (ইউনিট–০২) ৬৫ স্কোর পেয়ে গোল্ড ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পেয়েছে। উইন্টার ড্রেস লিমিটেড ৮৫ স্কোর পেয়ে প্লাটিনাম এবং মেহের গার্মেন্টস লিমিটেড ৮৯ স্কোর পেয়ে প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে লিড সনদ অর্জন করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি ও পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, আধুনিক পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের কারণে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে সবুজ কারখানার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
তাদের মতে, পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে এবং দেশের সবুজ শিল্পায়ন আরও শক্তিশালী হবে।

