বিশ্বের গ্রিন ফ্যাক্টরিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর অর্জন করায় প্রতিষ্ঠানটিকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড।
রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নূরুল কাদের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমানের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (USGBC) থেকে লিড প্লাটিনাম সনদে ১১০ এর মধ্যে ১০৮ স্কোর পেয়েছে হ্যামস গার্মেন্টস, যা বিশ্বের যেকোনো গ্রিন কারখানার মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, এই অর্জন ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের মর্যাদা বিশ্বব্যাপী আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে এটি দেশের পোশাক খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, ১১০ এর মধ্যে ১০৮ স্কোর অর্জন করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। পরিবেশবান্ধব শিল্প গড়ে তুলতে গ্রিন টেকনোলজি ফান্ড সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সহসভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন, পরিচালক ফারুক হাসান, ইউএসজিবিসির কনসালট্যান্ট অনন্ত আহমেদ এবং ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি)–এর অন্তর্বর্তী কমিটির কনভেনর এহসানুল করিম কায়সারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
হ্যামস গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান বলেন, পোশাক শিল্পের অর্জনগুলোকে তুলে ধরতে বিজিএমইএর উদ্যোগ শিল্পমালিকদের টেকসই শিল্পায়নে আরও উৎসাহিত করবে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফারুক হাসান জানান, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ লিড সার্টিফিকেশনে ধারাবাহিকভাবে উচ্চ স্কোর অর্জন করে নিজের অবস্থান শক্ত করেছে। তবে গ্রিন কারখানাগুলো কার্যাদেশে অগ্রাধিকার পেলেও পণ্যের দামে তার যথাযথ প্রতিফলন এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।
বর্তমানে দেশে ২৭৩টি লিড সার্টিফায়েড গ্রিন কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি প্লাটিনাম ও ১৩৯টি গোল্ড মানের। বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত গ্রিন কারখানার মধ্যে ৬৯টিই এখন বাংলাদেশে অবস্থিত।

