যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে সমঝোতায় পৌঁছানোর পর বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক কমে ২০ শতাংশে নেমে আসে। পরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে তা আরও কমে ১৯ শতাংশ নির্ধারিত হয়।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে এর অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত পাল্টা শুল্ককে গত শুক্রবার অবৈধ ঘোষণা করে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট।
রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইন ব্যবহার করে নতুন করে সব দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। পরদিন সেই হার বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়, যা ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
শুরুর দিকে পাল্টা শুল্কের কারণে চাপে থাকলেও পরবর্তীতে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে যায় বাংলাদেশ। কারণ, বাংলাদেশের মতো ভিয়েতনাম-এর শুল্কহার ছিল ২০ শতাংশ, যেখানে ভারত-এর পণ্যে শুল্ক পৌঁছে যায় ৫০ শতাংশে। চীন-এর ক্ষেত্রে শুল্কহার আরও বেশি ছিল।
এ অবস্থায় বাংলাদেশি তৈরি পোশাক, জুতা ও অন্যান্য পণ্যের অর্ডার কিছুটা বাড়লেও সেই প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

