দেশের শিল্প খাত সম্প্রসারণে নতুন নতুন কারখানা স্থাপন এবং বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠান আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
চট্টগ্রাম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (সিসিসি) প্রাঙ্গণে ক্লোরিনভিত্তিক বেসিক কেমিক্যাল কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশের রাসায়নিক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ইনসুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিআইএসএফএল)-এ একটি পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী আধুনিক ইনসুলেটর ও স্যানিটারিওয়্যার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া জিপিএফপিএলসি প্রাঙ্গণে ডব্লিউপিপি ব্যাগ উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যমান জমি, ব্যবস্থাপনা ও ইউটিলিটি ব্যবহার করে এটি একটি ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভোলা জেলায় নতুন একটি ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষে বর্তমানে স্থান নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে।অন্যদিকে, আশুগঞ্জ সার কারখানার পার্শ্ববর্তী ১৯৭ একর অব্যবহৃত জমিতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি কাচ কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) সরাসরি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করে না। বরং তারা শিল্পনগরী বা শিল্পপার্ক তৈরি করে, যেখানে উদ্যোক্তারা নিজ উদ্যোগে কারখানা স্থাপন করেন।
বর্তমানে দেশে বিসিকের ৮৩টি শিল্পনগরী ও শিল্পপার্কে মোট ৬ হাজার ২২৩টি শিল্প ইউনিট চালু রয়েছে।
বেকারত্ব দূর করতে বিসিক আরও নতুন শিল্পনগরী বা শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেবে। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, কাঁচামালের প্রাপ্যতা, উদ্যোক্তাদের চাহিদা এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অনাবাদি বা অব্যবহৃত জমির প্রাপ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব শিল্প এলাকায় উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগ পাবেন।

