শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের ৫৮টি কোম্পানির মধ্যে ৩৯টি প্রতিষ্ঠান ২০২৫ সালের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকের (দ্বিতীয় প্রান্তিক) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, এই সময়ে মাত্র ৫টি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। অন্যদিকে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের আয় কমেছে এবং ৮টি কোম্পানি ধারাবাহিক লোকসানে রয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে ৪টি কোম্পানি লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে এবং ৬টি প্রতিষ্ঠান মুনাফা থেকে লোকসানে পড়েছে। যেসব কোম্পানির আয় বেড়েছে সেগুলো হলো—দুলামিয়া কটন, এনভয় টেক্সটাইলস, রহিম টেক্সটাইল, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল।
দ্বিতীয় প্রান্তিকে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫) কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৩ পয়সা।
এনভয় টেক্সটাইলসের দ্বিতীয় প্রান্তিকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৩৫ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৫৮ পয়সা।
রহিম টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়ে হয়েছে ৫৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৮ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮১ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৯ পয়সা।
সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৩ পয়সা। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৭ পয়সা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬১ পয়সা।
তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৯১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৯০ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮১ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৭৮ পয়সা।
ডিএসই সূত্র বলছে, বস্ত্র খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির আর্থিক ফলাফলে চাপ থাকলেও কিছু প্রতিষ্ঠানের আয় প্রবৃদ্ধি বাজারে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

